১৭/০৩/২০২৬, ১:৩৬ পূর্বাহ্ণ
    spot_img

    এ সপ্তাহের সেরা

    সম্পর্কিত পোস্ট

    শবেকদরে বিশেষ দোয়া ও দোয়ার বিশেষত্ব

    জেড নিউজ, ঢাকা :

    রমজান মাসের রাতসমূহের মধ্যে অতীব গুরুত্বপূর্ণ ও বরকতময় রাত হলো শবেকদর বা কদরের রাত। এ রাত রমজান মাসের সৌন্দর্য ও মর্যাদা আরো বহুগুণ বাড়িয়ে দিয়েছে। বরকতময় এ রাতের স্রোতধারায় প্লাবিত হয়েছে পবিত্র মাহে রমজান। কোরআনুল কারিমে এ রাতকে বলা হয়েছে- লাইলাতুল কদর।

    এ রাতেই অবতীর্ণ হয়েছে মহাগ্রন্থ আল-কোরআন। আল্লাহ্ বলেন- ‘নিঃসন্দেহে কদরের রাতে আমি কোরআন অবতীর্ণ করেছি।

    হাদিসে শবেকদরকে রমজানের শেষ দশকের রাতসমূহে অণ্বেষণ করতে বলা হয়েছে।

    রমজানের শেষ দশক আসার সাথে সাথেই রাসুলুল্লাহ (সা.) সপরিবারে রাত জাগরণ করে ইবাদত-বন্দেগি করতেন। আয়েশা (রা.) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রমজানের শেষ দশদিন আসার সাথে সাথেই রাসুলুল্লাহ (সা.) নিজে রাত জাগরণ শুরু করতেন এবং পরিবারবর্গকে জাগাতেন।

    শবেকদরে পাঠের জন্য এক বিশেষ দোয়া কথা হাদিসে এসেছে। আয়েশা (রা.) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি বললাম, হে আল্লাহর রাসুল, আমি লায়লাতুল-কদর জানতে পারলে তাতে কী প্রার্থনা করবো?  রাসুলুল্লাহ (সা.) বললেন, তুমি বলবে- ‘আল্লাহুম্মা ইন্নাকা ‘আফুউউন, তুহিব্বুল ‘আফওয়া, ফা’ফু আন্নি।’ অর্থাৎ হে আল্লাহ্! নিশ্চয় তুমি ক্ষমাশীল দয়ালু। ক্ষমা করাকে ভালোবাসো। কাজেই আমাকে ক্ষমা করো।

    ‘আল্লাহুম্মা ইন্নাকা ‘আফুউউন, তুহিব্বুল ‘আফওয়া, ফা’ফু আন্নি।’ দোয়াটি বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ হওয়ার কারণ হলো- আরবি ভাষায় মাগফিরাহ এবং ‘আফওয়া দুটি শব্দের অর্থই ক্ষমা।

    কিন্তু ‘আফওয়া শব্দটি মাগফিরাহ শব্দের চেয়ে অধিক মর্যাদাসম্পন্ন ক্ষমা অর্থে ব্যবহার হয়।

    অর্থাৎ ‘আফওয়া হলো- এমন ক্ষমা, আল্লাহ্ আমাদের গুনাহগুলো ক্ষমা করে দেওয়ার পর তা পুরোপুরি মুছে ফেলবেন।

    LEAVE A REPLY

    Please enter your comment!
    Please enter your name here

    জনপ্রিয়