২৪/০২/২০২৬, ৫:০৮ পূর্বাহ্ণ
    spot_img

    এ সপ্তাহের সেরা

    সম্পর্কিত পোস্ট

    পাপাচার পরিত্যাগ ছাড়া রোজার পূর্ণতা নেই

    জেড নিউজ ডেস্ক:
    ইসলামে রোজা কেবল ক্ষুধা ও তৃষ্ণা সহ্য করার নাম নয় । রোজার মূল লক্ষ্য হলো তাকওয়া অর্জন এবং মিথ্যা, অন্যায় ও পাপ থেকে নিজেকে দূরে রাখা।
    এটি মানুষের চরিত্র, ভাষা ও আচরণকে পরিশুদ্ধ করার এক মহান প্রশিক্ষণ। তাই একজন রোজাদারের জন্য শুধু পানাহার থেকে বিরত থাকাই যথেষ্ট নয়, বরং তার জিহ্বা, দৃষ্টি ও সকল আচরণকেও গুনাহ থেকে সংযত রাখতে হয়।
    আবূ হুরাইরাহ্ (রা.) হতে বর্ণিত , নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, যে ব্যক্তি মিথ্যা বলা ও সে অনুযায়ী আমল বর্জন করেনি, তার এ পানাহার পরিত্যাগ করায় আল্লাহর কোনো প্রয়োজন নেই। (বুখারি, হাদিস : ১৯০৩)
    অর্থাৎ এ হাদিস থেকে বোঝা যায় , রোজার আসল উদ্দেশ্য বাহ্যিক সংযমের চেয়ে অন্তরের পরিশুদ্ধি ও নৈতিক উন্নতি সাধন করা। কেউ যদি রোজা রেখে মিথ্যা কথা বলে, প্রতারণা করে, গীবত-নিন্দা করে বা অন্যায় কাজে লিপ্ত থাকে, তবে সে রোজার প্রকৃত ফল থেকে বঞ্চিত হয়। এখানে “আল্লাহর কোনো প্রয়োজন নেই” কথাটির অর্থ হলো, এমন রোজা আল্লাহর কাছে গ্রহণযোগ্য নয় এবং তা তাঁর সন্তুষ্টি অর্জনের উপযুক্ত হয় না।
    ইমাম ইবন হাজার (রহ.) ব্যাখ্যা করেছেন, এ হাদিস রোজাদারকে সতর্ক করে যে, রোজা শুধু শরীরের নয়, বরং জিহ্বা, মন ও আচরণেরও রোজা হতে হবে। প্রকৃত রোজা সেই, যা মানুষকে পাপ থেকে দূরে রাখে এবং তার চরিত্রে সততা, সংযম ও আল্লাহভীতি সৃষ্টি করে।
    অতএব, রোজার মর্যাদা রক্ষা করতে হলে আমাদের উচিত মিথ্যা, অশ্লীলতা, অন্যায় ও সব ধরনের গুনাহ থেকে নিজেদের বিরত রাখা। তবেই রোজা হবে আত্মশুদ্ধির মাধ্যম এবং আল্লাহর সন্তুষ্টি লাভের উপায়।

    LEAVE A REPLY

    Please enter your comment!
    Please enter your name here

    জনপ্রিয়