ডেস্ক নিউজ , ঢাকা :
রমজান মানুষকে দানশীলতা ও বদান্যতার শিক্ষা দেয়। এই মাস দান-সদকার মাধ্যমে অধিক সওয়াব অর্জনের মাস। রমজান মাসে রোজাদার অভাবী মানুষের দুঃখ-কষ্ট অনুভব করতে পারেন। ক্ষুধা ও পিপাসায় নিজেকে কষ্ট দিয়ে সহমর্মী হন গরিব-দুঃখী মানুষের প্রতি।
দান সম্পর্কে আল্লাহ তাআলা পবিত্র কোরআনে বলেন, ‘আমি তোমাদের যা দিয়েছি, তা থেকে মৃত্যু আসার আগেই ব্যয় করো। অন্যথায় বলবে—হে আমার রব, আমাকে আরও কিছুকাল অবকাশ দিলেন না কেন? তাহলে আমি দান-সদকা করতাম এবং ভালো লোকদের অন্তর্ভুক্ত হতাম।’
হাদিসে এসেছে, ‘প্রিয় নবী (সা.) এমনিতেই অধিক পরিমাণে দান করতেন। যখন থেকে জিবরাইল (আ.) তাঁর কাছে আসা শুরু করেন, তখন থেকে মাহে রমজানে তিনি প্রবহমান বাতাসের মতো উন্মুক্ত হস্তে অধিকতর দাতা হয়ে যেতেন।’
হজরত আনাস (রা.) বলেন, রাসুল (সা.)-কে জিজ্ঞেস করা হলো, সবচেয়ে উত্তম সদকা কী? তিনি বললেন, ‘রমজান মাসের সদকা।’ হজরত ইবনে আব্বাস (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসুল (সা.) পবিত্র রমজান মাসে বিপুল পরিমাণে দান করতেন। (জামে তিরমিজি: ২৩৫১)
হজরত আনাস (রা.) বলেন, ‘নবীজি (সা.)-এর চেয়ে বেশি দানশীল আমি আর কাউকে দেখিনি।’ (সহিহ্ মুসলিম: ১৮৪২)
আমরা স্বভাবতই কমবেশি দান করে থাকি। কখনো দানের জন্য মোক্ষম সময়ও অনুসন্ধান করি। আর সেই উত্তম সময়টি হলো রমজান। এই মাসে দানের বিষয়টি সম্পূর্ণই আলাদা। তাই বছরের অন্য মাসগুলোর তুলনায় রমজান মাসে অধিক দান-সদকা করা বুদ্ধিমানের কাজ।



