ফিলিস্তিনকে রাষ্ট্র হিসেবে আনুষ্ঠানিকভাবে স্বীকৃতি দিয়েছে যুক্তরাজ্য, কানাডা, অস্ট্রেলিয়া ও পর্তুগাল। এর ফলে জাতিসংঘের ১৯৩ সদস্যের মধ্যে ১৫০টি দেশ ফিলিস্তিনকে স্বীকৃতি দিল।
গাজায় প্রায় দুই বছর ধরে চলমান ইসরায়েলের গণহত্যার মধ্যে ফিলিস্তিন রাষ্ট্রকে এসব শক্তিধর দেশের স্বীকৃতি বেশ গুরুত্বপূর্ণ। ফিলিস্তিন কর্তৃপক্ষ এই স্বীকৃতিকে স্বাগত জানিয়েছে। আর বরাবরের মত নিন্দা জানিয়েছে ইসরায়েল।
রোববার প্রথম জি সেভেন দেশ হিসেবে ফিলিস্তিনকে রাষ্ট্রের স্বীকৃতি দেয় কানাডা। কানাডার প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নি সামাজিক মাধ্যম এক্সে পোস্ট করে এই সিদ্ধান্ত জানান।
এর পরপরই এক বিবৃতির মাধ্যমে ফিলিস্তিনকে স্বীকৃতি দেয় অস্ট্রেলিয়া। প্রধানমন্ত্রী অ্যান্থনি অ্যালবানিজের দেয়া এক বিবৃতিতে এ তথ্য জানানো হয়।
এর কিছুক্ষণ পর যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার ঘোষণা দেন, যুক্তরাজ্যও ফিলিস্তিনকে রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে পোস্ট করা এক ভিডিও বার্তায় যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার ফিলিস্তিনকে রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি দেন। বলেন, মধ্যপ্রাচ্যে ক্রমবর্ধমান বীভৎসতার মুখে শান্তির সম্ভাবনা এবং দ্বিরাষ্ট্রভিত্তিক সমাধানকে বাঁচিয়ে রাখতে কাজ করা হচ্ছে। গত জুলাই মাসেই ফিলিস্তিনকে স্বীকৃতি দেয়ার ঘোষণা দিয়েছিল যুক্তরাজ্য।
এর পরপরই ফ্রান্স, পর্তুগাল, স্পেন, আয়ারল্যান্ড, নরওয়ে ও লুক্সেমবার্গও ফিলিস্তিনকে রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি দেয়ার ঘোষণা দেয়। ফিলিস্তিনকে পশ্চিমা দেশের স্বীকৃতির ঘোষণা ভালোভাবে নেয়নি ইসরায়েল। এরই মধ্যে ইসরায়েল বলেছে, ফিলিস্তিনকে স্বীকৃতি দেয়ার মাধ্যমে সন্ত্রাসবাদকে পুরস্কৃত করা হবে।



