১৩/০৩/২০২৬, ২১:০৪ অপরাহ্ণ
    spot_img

    এ সপ্তাহের সেরা

    সম্পর্কিত পোস্ট

    হাসিনা আমলে এক দেশে দুই কেন্দ্রীয় ব্যাংক যেভাবে কাজ করত

    দেশে লুট হওয়া ব্যাংকের সংখ্যা ১৫টি। এরমধ্যে ৭টি সরাসরি ও বাকিগুলো লুট হয়েছে পরোক্ষভাবে। এরজন্য কাজ করতো দুই ব্যাংক। এর একটি কেন্দ্রীয় ব্যাংক যেটা বাংলাদেশ ব্যাংক। আর অন্যটি ফ্যসিস্ট প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার অফিস। আর এভাবে এক দেশে দুটি কেন্দ্রীয় ব্যাংক কাজ করেছে লুটপাটে। এর ১২-১৪টি ব্যাংকের সব ঘটত হাসিনার অফিস থেকে।

    ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের নবাব নওয়াব আলী চৌধুরী সিনেট ভবন মিলনায়তনে ব্যাংক খাতের সংকট, সংস্কার ও নিয়ন্ত্রণ শীর্ষক এক আলোচনায় এসব কথা বলেন ব্যাংকার ও আলোচকরা। আলোচনায় উঠে আসে দেশের ব্যাংক খাতে মোট ঋণের পরিমাণ ১৮ লাখ কোটি টাকা। এরমধ্যে ৪ লাখ কোটি টাকা মন্দ ঋণ, আর ৭ লাখ কোটি টাকা সমস্যাপূর্ণ অবস্থায়। এটি হয়েছে ১৫টি ব্যাংক লুটের মাধ্যমে।

    সিটি ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মাসরুর আরেফিন জানান, ফ্যাসিস্ট সরকারের সময় দেশের মানুষ দুটি কেন্দ্রীয় ব্যাংক দেখেছে। এটা দুঃখজনক। জানান, এক এস আলম বেনামে পুরো ব্যাংক খাত ধ্বংস করেছে।

    ব্যাংক কোম্পানি আইনে ভেঙে এস আলম গ্রুপের চেয়ারম্যান সাইফুল আলম ও তার পরিবারের সদস্যরা নজিরবিহীনভাবে সাতটি ব্যাংক ও দুটি আর্থিক প্রতিষ্ঠানের বড় অঙ্কের শেয়ার দখলে নেয়। আর এই অসাধ্য সম্ভব হয় মূলত শেখ হাসিনার কারণেই। তার বিশেষ অনুমতি ওই পরিবারকে সহায়তা করেছে ব্যাংকিং নিয়ন্ত্রক সংস্থা। এতে যেন এস আলমের হাতে চলে আসে আলাদিনের চেরাগ। ঝুঁকিতে পড়ে আর্থিক খাত।

    আলোচনায় উঠে আসে হাসিনার কারণে দেশে কয়েকটি জম্বি ব্যাংক হয়েছে। জম্বি ব্যাংক হলো সেসব ব্যাংক যেগুলো মূলত দেউলিয়ার পর্যায়ে; তবে কার্যক্রম পরিচালনা করছে। যাদের আমানত পরিশোধের সক্ষমতাও নেই বলে জানানো হয়।

    জেড নিউজ, ঢাকা।

    LEAVE A REPLY

    Please enter your comment!
    Please enter your name here

    জনপ্রিয়