১৬/০১/২০২৬, ১৯:১১ অপরাহ্ণ
    spot_img

    এ সপ্তাহের সেরা

    সম্পর্কিত পোস্ট

    রামপাল তাপবিদ্যুৎ প্রকল্প ঘিরে ব্যতিক্রমী ইকোসিস্টেম

    বাংলাদেশের কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রগুলো জাতীয় গ্রিডে উল্লেখযোগ্য পরিমাণ বিদ্যুৎ সরবরাহ করছে। এর মধ্যে বাগেরহাটের রামপাল তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রও একটি। বাংলাদেশ-ভারত যৌথ উদ্যোগে পরিচালিত ১৩২০ মেগাওয়াট সক্ষমতার বিদ্যুৎ কেন্দ্রটি নকশাগত দিক থেকে দেশের অন্য বিদ্যুৎ কেন্দ্র থেকে যেমন ব্যতিক্রম, একইভাবে এর বৈশিষ্ট্যগুলো একে অন্য বিদ্যুৎ কেন্দ্র থেকে স্বতন্ত্র করেছে।

    এই বিদ্যুৎ কেন্দ্রের চারপাশে গড়ে তোলা হয়েছে সবুজ বেষ্টনী বা গ্রিন বেল্ট। একে ঘিরে গড়ে উঠেছে ব্যতিক্রমী এক ইকোসিস্টেম। সেখানে আছে পাখিদের কলরব। সবুজ গাছের বেষ্টনী। বিদ্যুৎ কেন্দ্রটির পাশেই মইদারা খালে ডলফিনের দল খেলায় মেতে উঠছে।

    রামপাল তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র তৈরির আগে দেশের পরিবেশবিদরা বলেছিলেন, সুন্দরবনের আশপাশে কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র তৈরি হলে এর নেতিবাচক প্রভাব পড়বে গোটা বনের ওপর। বাদ যাবে না আশপাশের এলাকাও। যদিও রামপাল ১ হাজার ৩২০ মেগাওয়াট সক্ষমতার মৈত্রী সুপার থার্মাল পাওয়ার প্ল্যান্টটি সুন্দরবন থেকে ১৪ কিলোমিটার দূরে।

    বিদ্যুৎ কেন্দ্রটির দুটি ইউনিটই এখন পূর্ণ সক্ষমতায় বিদ্যুৎ উৎপাদন করছে। তাছাড়া এর পাশে ডলফিনের মতো স্পর্শকাতর প্রাণীর দাপাদাপি আর হরেক রকম পাখির কিচিরমিচিরই বলে দেয় রামপাল বিদ্যুৎ কেন্দ্রের পরিবেশবান্ধব উদ্যোগে এখন পর্যন্ত সেখানকার ইকোসিস্টেমে কোনো ব্যাঘাত ঘটেনি।
    জেড নিউজ, ঢাকা।

    জনপ্রিয়