জুলাই সনদ বাস্তবায়নসহ চারদফা দাবিতে আন্দোলনের ঘোষণা দিয়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। একই দাবিতে পৃথকভাবে আন্দোলন কর্মসূচি ঘোষণা করেছে আরো ৩টি ইসলামপন্থী দলসহ মোট ৭টি দল।
জামায়াতসহ ইসলামী রাজনীতির সাথে জড়িত এ দলগুলোর ঘোষিত এই আন্দোলন কর্মসূচিকে ভারতীয় এজেন্ডা বাস্তবায়নের নতুন কর্মতৎপরতা বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ভারতের সেবাদাসী ফ্যাসিস্ট হাসিনার পতন সে দেশ কোনভাবেই মেনে নিতে পারছে না। তাই তারা শেখ হাসিনা পালিয়ে যাওয়ার পর থেকে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের বিরুদ্ধে নানান ষড়যন্ত্র শুরু করেছে।
প্রথমে সংখ্যালঘু নির্যাতনের ইস্যুতে এ সরকারকে অস্থির করতে চেয়েছে। এরপর শ্রমিক আন্দোলনের মাধ্যমে দেশকে অস্থির করতে চেয়েছে। আনসার বিদ্রোহ, সচিবালয়ে বিদ্রোহসহ আরও অনেক ইস্যু তৈরী করে ড. ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তীকালীন সরকার পতনের চেষ্টা করেছে ভারত। তবে এসব ষড়যন্ত্র সরকার বেশ সফলতার সাথে মোকাবেলা করে টিকে আছে।
ভারত তাদের ষড়যন্ত্রের জাল এবার ভিন্নভাবে বিস্তারের চেষ্টা শুরু করেছে। বর্তমান তত্ত্বাবধায়ক সরকার আগামী ফেব্রুয়ারির প্রথমার্ধে জাতীয় সংসদ নির্বাচন আয়োজনের ঘোষণা দেওয়ার পর ভারত এ নির্বাচন বানচালের জন্য মরিয়া হয়ে উঠেছে। এ জন্য তারা নতুন কৌশল নিয়ে অগ্রসর হতে চাচ্ছে। এ কৌশলের মধ্যে রয়েছে, ব্যাপক নাশকতা সৃষ্টি করে দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি করা। আর দ্বিতীয়টি হচ্ছে বিভিন্ন দাবি নিয়ে কয়েকটি রাজনৈতিক দলকে আন্দোলনের মাঠে নামানো।
ভারতের প্রথম কৌশলের অংশ হিসাবে আওয়ামী লীগের ঝটিকা মিছিল ও দেশে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতাদের উপর হামলা শুরু হয়েছিল। কিন্তু আইন শৃঙ্খলাবাহিনী এব্যাপারে সতর্ক অবস্থান নেয়ায় এনিয়ে আর অগ্রসর হতে পারছে না।
ভারতীয় ষড়যন্ত্রের দ্বিতীয় যে কৌশল তা হলো বিভিন্ন দাবি নিয়ে কয়েকটি রাজনৈতিক দলকে আন্দোলনের মাঠে নামানো। জামায়াতে ইসলামীসহ কয়েকটি ইসলামিক রাজনৈতিক দল আন্দোলনের যে কর্মসূচি ঘোষণা করেছে সেটি এই কৌশলেরই অংশ বলে রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন।
জেড নিউজ, ঢাকা।



