জেড নিউজ, ঢাকা।
দেশে জ্বালানি তেলের কোন সংকট নেই। সামনের দিনগুলোতে এ সংকট হওয়ারও কোন সুযোগ নেই। একসময় ডিজেলের প্রায় পুরোটা আসত মধ্যপ্রাচ্য থেকে। মূলত কুয়েত থেকেই জাহাজে করে আসত অধিকাংশ চালান। তবে গত দুই দশকে আমদানির উৎসে বড় পরিবর্তন এসেছে। এখন ডিজেল সরবরাহের তালিকায় সিঙ্গাপুর, মালয়েশিয়া, চীন, সংযুক্ত আরব আমিরাত, সৌদি আরবসহ আরও কয়েকটি দেশ তালিকায় যুক্ত। পাশাপাশি ভারত থেকেও আসে উল্লেখযোগ্য পরিমাণ।
তারওপর জ্বালানির বিকল্প উৎসের সন্ধানে জোর তৎপরতা চালাচ্ছে সরকার। বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত জানিয়েছেন, যুদ্ধ পরিস্থিতি দীর্ঘায়িত হলে বৈশ্বিক সরবরাহ বিঘ্নিত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। তাই বিকল্প নিয়ে ভাবছে সরকার। সব মিলিয়ে দেশে জ্বালানি তেলের কোন সংকট নেই।
তবে এখন যে সংকট তা হলো, আতঙ্ক। যুদ্ধ ও হোরমুজ প্রনালী ঘিরে নানা খবরে মানুষের মনে ধারণা হয়েছে যে, তেল ফুরিয়ে যাচ্ছে দেশে। তাই যে যতটুকু পারছে, সংরক্ষণের চেষ্টা চালাচ্ছে। এতে প্রতিদিনের চাহিদার তুলনায় গত কয়েকদিনে চাহিদা কয়েকগুন বেড়ে যায়।
সরবরাহে ঘাটতি না থাকলেও তেলের পাম্পে গাড়ির দীর্ঘ সারির জন্য ‘প্যানিক বায়িং’কে দায়ী করেছেন জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী। তিনি জানান, গত পাঁচ দিনে তেলের চাহিদা স্বাভাবিকের চেয়ে দুই থেকে তিন গুণ বেশি ছিল, যার কোনো যৌক্তিক কারণ ছিল না।



