জেড নিউজ, ঢাকা:
মাহে রমজান আমাদেরকে যেভাবে ত্যাগ তিতিক্ষা সংযমের শিক্ষা দেয় সেভাবে শিক্ষা আমাদের সামাজিক বিভাজন কমানোর ক্ষেত্রে অবদান রাখবে। নারীর মর্যাদা ও অর্থনৈতিক স্বাধীনতা নিশ্চিত করা হলে জাতীয় উন্নয়ন ও সামাজিক ন্যায় অর্জন সহজ হবে। বিশ্বাস করে নারী নিরাপত্তা সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার পাওয়ার যোগ্য। আমাদের সরকার বিশ্বাস করে কন্যা শিশুর নিরাপত্তা ও মানবিক বিকাশ নিশ্চিত করা অত্যন্ত জরুরী। একাডেমিক এবং কারিগরি শিক্ষার মাধ্যমে একজন কন্যা শিশু দেশের যেকোন স্থানেই থাকুক না কেন শহর অথবা গ্রামে সে যদি প্রকৃত শিক্ষা অর্জন করে তাহলে সে নিজেকে একজন সুযোগ্য নাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে পারবে এবং সে ক্ষেত্রে সরকার সংকল্পবদ্ধ।
নারীদেরকে পরিবার ও সামাজিক উন্নয়নের কেন্দ্রে রাখা হবে। স্বাস্থ্য ,গ্রামীণ উন্নয়ন, কর্মসংস্থান সকল ক্ষেত্রে। তিনি আরো বলেন মাধ্যমিক পর্যায়ে থেকেই আমাদের দেশে তৃতীয় ভাষা প্রয়োগ করা হবে। সে ক্ষেত্রে শিক্ষার্থীরা দেশে-বিদেশে কর্মসংস্থানে অগ্রধিকার পাবে। এর পাশাপাশি কারিগরি শিক্ষা মাধ্যমিক শিক্ষা থেকে অন্তর্ভুক্ত করা হবে যা কর্ম ক্ষেত্রে বিরাট ভূমিকা রাখবে। পোশাক কর্মী বোনদের জন্য তিনি বলেন প্রত্যেক শিল্প-কারখানায় আমরা বিশ্বাস করি যে তাদের স্ববেতন মাতৃত্বকালীন ছয় মাস ছুটি অবশ্যই প্রয়োজনীয় এবং ডে কেয়ার সেন্টার ,তাদের নিরাপদ আবাসন ,নিরাপদ যাতায়াত ব্যবস্থা ।
একটি মা অথবা একজন কন্যা শিশু -যখন নিরাপদে তার কর্মস্থলে অথবা তার শিক্ষাঙ্গনে যেতে পারবে। তখনই আমরা মনে করব একজন নারীর সত্যিকারের ক্ষমতায়ন হয়েছে। কারণ একজন নিরাপদ নারী মনে করবে যে সে সমাজে তার পরিবারে সর্বক্ষেত্রে অবদান রাখতে সক্ষম হবে ।ইনশাআল্লাহ আমরা সবাই মিলে যদি বিশ্বাস করি করব কাজ করব দেশ সবার আগে বাংলাদেশ।
ডক্টর জোবায়দুর রহমান করাইলের শিশু কিশোর ও নারী পোশাক শ্রমিকদের কথা দিয়েছিলেন তিনি তাদের সাথে নির্বাচনের পরে আবার দেখা করবেন তাই তিনি আজ তাদের সাথে ইফতার করেন এবং কুশল বিনিময় করেন। এ সময় তিনি একুশে ফেব্রুয়ারি উপলক্ষে জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশন থেকে শিশু-কিশোরদের মাঝে যে বই উপহার দেওয়া হয়েছে সেই তারা বইগুলো পড়েছেন কিনা সে সম্পর্কেও জানতে চান।



