জেড নিউজ
ক্ষমতায় আসার পর থেকেই ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগ বাংলাদেশের সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে একে একে ধ্বংস করে দেয়। ক্ষমতা টিকিয়ে রাখতে তারা পরিকল্পিতভাবে জনগণের ভোটাধিকার কেড়ে নিয়ে নির্বাচনকে প্রহসনে পরিনত করে । তারা জনগণের প্রতি শ্রদ্ধা প্রদর্শনের পরিবর্তে ক্ষমতায় থাকার জন্য অবৈধ ও অগণতান্ত্রিক পথ বেছে নেয়।
ক্ষমতাসীন ফ্যাসিস্ট হাসিনার অধীনে দেশে কার্যত একটি একদলীয় শাসন কায়েম হয়েছিল। দেশের অর্থনীতি, মানুষের রুটি-রুজি ও জাতীয় স্বার্থ যখন বিপন্ন তখন গণ-আন্দোলনকে সর্বাত্মক রূপ দিতে এক হয়েছিল দেশের ছাত্রজনতা থেকে শুরু করে সাধারন জনগন ।৫ আগস্ট গণঅভ্যূত্থানের হাত ধরে আসা অন্তর্বর্তী সরকার এবার গণতন্ত্রের পথ সুগম করার উদ্যোগ নিচ্ছে। ঘোষণা দিয়েছে বহু কাঙ্খিত নির্বাচনের।
সোমবার ১৬ই ডিসেম্বর মহান বিজয় দিবস উপলক্ষ্যে জাতির উদ্দেশ্যে এক ভাষণে আগামী নির্বাচনের সময় ঘোষনা করেন অর্ন্তবর্তীকালীন সরকারের প্রধান ড. মুহাম্মদ ইউনূস । ২০২৫ সালের শেষের দিকে অথবা ২৬- এর জানুয়ারীতে জাতীয় নির্বাচন হতে পারে বলে জানিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা। জাতীয় ঐকমত্যের ভিত্তিতে প্রত্যাশিত মাত্রার সংস্কার যোগ করা হলে অতিরিক্ত আরো ছয় মাস সময় লাগতে পারে বলেও জানান তিনি।প্রত্যাশিত এ নির্বাচনের মাধ্যমে প্রায় দেড় দশক পর অবারো ভোটাধিকার ফিরে পেতে যাচ্ছে বাংলাদেশের জনসাধারন ।